News

Biman News

 

২৪ জুলাই, ২০১৯

 

বরাবর

 

সম্পাদক

দৈনিক সমকাল, ঢাকা।

দৃষ্টি আকর্ষণ : জনাব ফসিহ উদ্দীন মাহতাব।

বিষয়: প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা/প্রতিবাদ।

২৩ জুলাই, ১৯ তারিখে দৈনিক সমকাল পত্রিকায় এত ফ্রি টিকেট পান বিমান কর্মীরাশিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। তথ্যগত বিভ্রাটে পরিপূর্ণ সংবাদটি সম্পর্কে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নিম্নরূপ:

 

ক)  বিমানে কর্মরত বর্তমান/অবসরপ্রাপ্ত স্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তা/কর্মচারীদের টিকিট প্রাপ্যতা একটি ট্রেড ফ্যাসিলিটি।

 

খ)   প্রশাসনিক আদেশ নং ১৩/৯৮, ২২/২০০০ এবং ২২/২০১৩ অনুসারে চাকুরীর সময়-সীমার মধ্যে প্রকারভেদে বিমানের কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ বিভিন্ন রেয়াতী টিকিট প্রাপ্য হন, যাকে আইডি টিকিটও বলা হয়ে থাকে।

 

গ)  বিমানের ১১৫তম বোর্ড সভার অনুমোদনক্রমে বর্তমানে অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক রুটে একজন কর্মকর্তা/কর্মচারী নির্ভরশীলসহ বছরে সর্বোচ্চ ২০ (বিশ)টি প্যাসেজ বা টিকিট প্রাপ্য হবেন। অর্থাৎ নীতিমালা অনুসারে শুধুমাত্র স্বামী/স্ত্রী, সন্তান এবং নির্ভরশীল পিতা/মাতা এর অন্তর্ভূক্ত।

 

ঘ)   বিমানের কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ আইডি টিকিটের ক্ষেত্রে চাকুরীর ১ বছর পূর্ণ হওয়ার পর দ্বিতীয় বছর হতে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে ৮৫%, ৯০%, ৯৫% এবং ১০০% রেয়াতি হারে টিকেট প্রাপ্য হন। তবে এ সকল টিকিট নিয়মানুযায়ী প্রত্যেক বিভাগের এডমিন শাখা কর্তৃক প্রক্রিয়া করার পর এবং যথাযথ কর্তৃ পক্ষের অনুমোদনক্রমেই ইস্যু হয়ে থাকে। রেয়াতি টিকেটেও অবশ্যই প্রচলিত সকল ট্যাক্স বিমান এমপ্লয়ীদের পরিশোধ করতে হয়।

 

ঙ)    বিমানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রাপ্য যে কোন রেয়াতী টিকিটের চাইতে নিয়মানুযায়ী রেভিনিউ টিকিটধারী যাত্রীই সবসময় অগ্রাধিকার পেয়ে থাকেন। অর্থাৎ রেভিনিউ প্যাসেঞ্জার কর্তৃক ফ্লাইট পূর্ণ (Full flight) থাকলে কখনই রেয়াতী টিকিটধারী কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ সেই ফ্লাইটে ভ্রমণ করতে পারেন না।

 

বিমান কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ প্রশাসনিক আদেশ অনুযায়ী এবং সকল নীতিমালা অনুসরণ করেই প্রাপ্যতা অনুযায়ী রেয়াতী টিকিট ব্যবহার করেন।

 

অতএব, সংশ্লিষ্ট সংবাদটি বিভ্রান্তিকর, অসত্য, ভিত্তিহীন এবং অসংগতিপূর্ণভাবে প্রকাশের জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ায় ব্যাখ্যা/প্রতিবাদ জ্ঞাপন করছে। রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থার ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখার লক্ষ্যে আমাদের উপরোক্ত বক্তব্যগুলো যথাযথ গুরুত্ত্বসহকারে আগামীকালের সংখ্যায় প্রকাশের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।’

ধন্যবাদান্তে,

 

তাহেরা খন্দকার

উপ-মহাব্যবস্থাপক, জনসংযোগ

মোবাইল- ০১৭৭৭৭১৫৫১১

ইমেইল gmpr@bdbiman.com ;