News

Biman News

 

     

 

 

 

 

 

ঢাকা, ০২ জানুয়ারী ২০১৭ : গত ২২ ডিসেম্বর ,২০১৬ বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট বিজি ১২২ এর অপারেটিং ক্যাপ্টেন নওশাদের অসামান্য পেশাগত দক্ষতা ও নৈপুন্যের প্রশংসা করে আন্তর্জাতিক পাইলট এসোসিয়েশন অর্থাৎ International Federation of Airlines Pilot Association (IFALPA)- সভাপতি Capt Ron Abel প্রসংশা পত্র দিয়েছেন । বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এই দক্ষ পাইলট বোয়িং ৭৩৭-৮০০ নিয়ে মাস্কাট বিমানবন্দর থেকে ২২/১২/২০১৬ তারিখ ভোর রাত ০৪:৪৮ ঘটিকায় চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।বিজি ১২২ ফ্লাইটটি টেক-অফ করার পর মাস্কাট বিমানবন্দর কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে ক্যাপ্টেনকে জানানো হয় যে, রানওয়েতে টায়ারের কিছু অংশ পাওয়া গিয়েছে তা সম্ভবতঃ বিমান এয়ারক্রাফটের হতে পারে।

এমতাবস্থায় ফ্লাইটের ক্যাপ্টেন নওশাদ অধিকতর নিরাপত্তার স্বার্থে ফ্লাইটটি চট্টগ্রামের পরিবর্তে ঢাকায় হযরত শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন।এসময় তাঁর অনুরোধে ঢাকায় জরুরী অবতরণের জন্য সকল ধরণের সতর্কতা ব্যবস্থা নেয়া হয়। ল্যান্ডিং এর পূর্বে ক্যাপ্টেন ফ্লাইটটি নিয়ে রানওয়ের উপর দু’বার লো-লেভেল ফ্লাই করেন। তখন দেখা যায় উড়োজাহাজের পিছনের ২নং টায়ারটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

ক্যাপ্টেন নওশাদ তাঁর অসাধারণ দক্ষতা ও অসামান্য ফ্লাইট নৈপুন্যের স্বাক্ষর রেখে জরুরী অবস্থায় শান্ত ও ধীর-স্থীরভাবে সুবিবেচিত সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ টায়ার ও ল্যান্ডিং ‍গিয়ারসহ নিরাপদে ফ্লাইটটি অবতরণ করান।

উক্ত ফ্লাইটে ১৪৯ জন যাত্রী ও ০৭ জন ক্রু ছিলেন তাঁরা সবাই সুস্থ্য ও নিরাপদ অবস্থায় জাহাজ থেকে বের হয়ে আসেন।

উক্ত ফ্লাইটি পরিচালনায় ক্যাপ্টেন নওশাদ যে উঁচুমানের পেশাদারিত্ব ও নিরাপত্তা মান বজায় রেখেছেন IFALPA সভাপতি তাঁর চিঠিতে ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রসংগত উল্লেখ্য বিমান তাঁর যাত্রীদের নিরাপত্তা বিধানে ICAO I IATA নির্দেশিত উঁচুমানের Safety Standard বজায় রেখে চলেছে। বাংলাদেশের সকল এয়াররাইন্সের মধ্যে একমাত্র বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সই এভিয়েশন সেফটি বিষয়ে (IATA Operational Safety Audit) সনদ প্রাপ্ত এয়ারলাইন্স।

ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইয়ুম ১৭ অক্টোবর ১৯৭৭ সনে ঢাকা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০০২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে পাইলট হিসেবে যোগদান করেন এবং এ পর্যন্ত মোট ৮,৭০০ ঘন্টা উড্ডয়ন সম্পন্ন করেছেন